১২ কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
রাজনীতি

ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের নতুন অধ্যায়

news24banglatv.com রাজনীতি ডেস্ক
Follow us Facebook YouTube
স্পেনে দুই ট্রেনের সংঘর্ষে অন্তত ৪৬ জনের প্রাণহানি স্পেনে দুই ট্রেনের সংঘর্ষে অন্তত ৪৬ জনের প্রাণহানি ডাকসুতে জিতলেই বাংলাদেশে ইসলাম বিজয়ী হবে: মিয়া গোলাম পরওয়ার ডাকসুতে জিতলেই বাংলাদেশে ইসলাম বিজয়ী হবে: মিয়া গোলাম পরওয়ার ৬৩ বছরের ক্যারিয়ার শেষে অবসরে ৮৩ বছর বয়সী ক্যারল ফেয়ার ৬৩ বছরের ক্যারিয়ার শেষে অবসরে ৮৩ বছর বয়সী ক্যারল ফেয়ার সয়াবিন তেলের দাম লিটারে ১৪ টাকা বাড়ানোর প্রস্তাব সয়াবিন তেলের দাম লিটারে ১৪ টাকা বাড়ানোর প্রস্তাব জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তরে ৯৫ জনের বিশাল নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তরে ৯৫ জনের বিশাল নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি চুয়াডাঙ্গায় পালিত জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস চুয়াডাঙ্গায় পালিত জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস রপ্তানি পণ্য বহুমুখীকরণে জাপানের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রপ্তানি পণ্য বহুমুখীকরণে জাপানের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আইইডিসিআর কার্যালয়ে পরিচালককে নিরাপত্তা ঘটনায়, অভিযোগ ড্যাব কর্মীদের বিরুদ্ধে আইইডিসিআর কার্যালয়ে পরিচালককে নিরাপত্তা ঘটনায়, অভিযোগ ড্যাব কর্মীদের বিরুদ্ধে রংপুরে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে নিহত ৪, হাসপাতালে ১৮ যাত্রী রংপুরে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে নিহত ৪, হাসপাতালে ১৮ যাত্রী গুলশানে ব্র্যাক ব্যাংক ও প্রথমার দুই দিনব্যাপী বইমেলার যাত্রা গুলশানে ব্র্যাক ব্যাংক ও প্রথমার দুই দিনব্যাপী বইমেলার যাত্রা
সব খবর

দিল্লির কূটনৈতিক পাড়ায় একটি করমর্দনের সম্ভাবনা ক্রমশ স্পষ্ট হয়ে উঠছে। যদিও এখন পর্যন্ত সেই বহুল চর্চিত করমর্দনের কোনো সুনির্দিষ্ট তারিখ, সম্মতিপ্রাপ্ত সফরসূচি বা আনুষ্ঠানিক ঘোষণা চূড়ান্ত হয়নি, তবুও কূটনৈতিক ক্ষেত্রে এটি নিয়ে ব্যাপক তৎপরতা দেখা যাচ্ছে। ইন্ডিয়া এম্পায়ারের এক নিবন্ধে জানানো হয়েছে, এই লেখা প্রকাশের সময় ভারত ও বাংলাদেশ সরকার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য নয়াদিল্লি সফর নিয়ে নিবিড় আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। এই আলোচনার টেবিলে নভেম্বর মাসের কয়েকটি সম্ভাব্য তারিখ উঠে এসেছে। তবে ঢাকা ও দিল্লি দুই পক্ষ থেকেই পরিষ্কারভাবে জানানো হয়েছে যে, এই হাই-প্রোফাইল সফরটি সফল ও অর্থবহ করতে রাজনৈতিক পরিবেশ পুরোপুরি অনুকূল হওয়া প্রয়োজন। আমন্ত্রণটি খোলা রয়েছে, কিন্তু চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে উভয় দেশই সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে। এই প্রাথমিক সতর্কতা ও প্রস্তুতির মধ্য দিয়ে পরিষ্কার বোঝা যায় যে, এটি কেবল একটি সাধারণ সৌজন্য সাক্ষাৎ হতে যাচ্ছে না। তাদের উত্তরাধিকার বিএনপির ভেতরে তারেক রহমানকে শক্তিশালী ভিত্তি দিয়েছে। নয়াদিল্লি, বেইজিং, ওয়াশিংটনসহ অন্যান্য রাজধানীতে তার এই ভারসাম্য রক্ষার প্রচেষ্টা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হবে।

বাস্তবসম্মত সম্পর্ক পুনর্গঠনের একটি নতুন বার্তা

ভারত ও বাংলাদেশের শীর্ষ দুই নেতার মধ্যে এই সম্ভাব্য করমর্দন নিছক একটি আলোকচিত্র বা ফটো-অপশন হিসেবে সীমাবদ্ধ থাকবে না। এর গুরুত্ব বহুলাংশে গভীর ও তাৎপর্যপূর্ণ। বহু বছরের ভূ-রাজনৈতিক অবস্থান, রক্তক্ষয়ী ইতিহাস, প্রবীন অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক বন্ধন এবং অত্যন্ত দীর্ঘ অভিন্ন সীমান্তের বাঁধনে আবদ্ধ এই দুই প্রতিবেশী দেশ অতীতে নানা টানাপোড়েন ও অবিশ্বাসের অধ্যায় অতিক্রম করেছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য দিল্লি সফর সেই অবিশ্বাসের অধ্যায়টি পেছনে ফেলে বাস্তবসম্মত এবং দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্ক পুনর্গঠনের পথ তৈরি করতে পারে। রাজনৈতিক পটপরিবর্তন ও নতুন সম্ভাবনার হাতছানি দিয়ে বাংলাদেশের রাজনীতির মূল ধারায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আগমন একটি যুগান্তকারী পরিবর্তন এনেছে। সেটি সম্পর্কের মোড় ঘোরানো মুহূর্তে পরিণত হবে কি না, তা কেবল আনুষ্ঠানিক প্রোটোকলের চেয়ে বেশি নির্ভর করবে দুই দেশের সরকার কী নিয়ে দ্বিপাক্ষিক আলোচনা করতে, দর-কষাকষি করতে এবং বাস্তবে দীর্ঘমেয়াদে কী অর্জন করতে প্রস্তুত, তার ওপর। বাংলাদেশের রাজনীতির প্রতিদিনের কোলাহল থেকে দূরে তার জীবনযাপনের ধরন ছিল তুলনামূলক শান্ত। এখন প্রশ্ন হলো, নির্বাসনে অর্জিত দৃষ্টিভঙ্গি বাংলাদেশের শাসন পরিচালনার কাজে কীভাবে প্রতিফলিত হবে। ড. জয়শঙ্কর আশা প্রকাশ করেন, বেগম খালেদা জিয়ার ‘দৃষ্টিভঙ্গি ও মূল্যবোধ’ দুই প্রতিবেশীর অংশীদারিত্বের বিকাশে পথ দেখাবে।

লন্ডনের ১৭ বছরের নির্বাসন থেকে ক্ষমতার কেন্দ্রে প্রত্যাবর্তন

বাংলাদেশের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দীর্ঘ ১৭ বছর লন্ডনে নির্বাসিত জীবনযাপন করেছেন। যে দেশের রাজনৈতিক প্রবাহ তার রাজনৈতিক জীবন ও দৃষ্টিভঙ্গিকে গড়ে তুলেছিল, সেই মূল রাজনৈতিক ভূখণ্ড থেকে তিনি বহু বছর ভৌগোলিক ও সামাজিকভাবে বিচ্ছিন্ন ছিলেন। তারেক রহমানের এই প্রত্যাবর্তনের সময়টি ছিল অত্যন্ত অসাধারণ ও নাটকীয়। দলগত ভিত্তির দিকে তাকালে দেখা যায়, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) প্রতিষ্ঠা করেছিলেন তার পিতা, দেশের সাবেক প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান। পরবর্তীতে জিয়াউর রহমানের আকস্মিক প্রয়াণের পর দলটির হাল ধরেন এবং মূল নেতৃত্বে উঠে আসেন তারেক রহমানের মা, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া। তার মা দীর্ঘ সময় বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং দেশের ইতিহাসে অন্যতম প্রভাবশালী ও জনপ্রিয় রাজনৈতিক নেতায় পরিণত হন। বিএনপি প্রতিষ্ঠার পর থেকেই দেশের রাজনীতিতে এই পরিবারের ভূমিকা অপরিসীম। লন্ডনে কাটানো বছরগুলো তারেক রহমানের ব্যক্তিগত জীবনের অপেক্ষাকৃত আড়ালে থাকা একটি দিক তুলে ধরে। রিচমন্ড পার্কের সবুজ বিস্তৃত পথ ধরে হাঁটা এবং ইতিহাসের বই পড়া ছিল তার পছন্দের কাজগুলোর মধ্যে। টাইম সাময়িকীকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তাকে স্বল্পভাষী ও অন্তর্মুখী হিসেবে দেখা গেছে। এখন আর শুধু ক্ষমতার বাইরে থাকা একটি দলের নেতৃত্ব দেয়া তার কাজ নয়; বরং বিভক্ত একটি দেশ পরিচালনা করাই তার প্রধান দায়িত্ব। ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী প্রশাসন এমন একটি পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণ করে, যেটিকে ব্যাপকভাবে নয়াদিল্লির সঙ্গে আগের তুলনায় কম ঘনিষ্ঠ হিসেবে দেখা হয়। বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি তার নিজস্ব অগ্রাধিকারের ভিত্তিতেই পরিচালিত হবে।

একই সাথে বংশানুক্রমিক রাজনীতির ধারা, নিজের রাজনৈতিক ক্যারিয়ার চলাকালীন বিভিন্ন কর্মকাণ্ড এবং দীর্ঘ দিন বিরোধী দলে থাকার সময় তাকে ঘিরে নানা অভিযোগ ওঠার কারণে তিনি বিভিন্ন মহল থেকে তীব্র সমালোচনার মুখেও পড়েছেন। তবে সমস্ত প্রতিকূলতা ও জটিল রাজনৈতিক সমীকরণ অতিক্রম করে তারেক রহমান নিজের অবস্থান দৃঢ় করেছেন। ২০২৪ সালের আগস্ট মাসে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দীর্ঘদিনের একচ্ছত্র শাসনের পতনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে এক ঐতিহাসিক রাজনৈতিক পটপরিবর্তন ঘটে। এই গণ-অভ্যুত্থান ও রাজনৈতিক পরিবর্তনের ধারাবাহিকতায় ২০২৫ সালের ২৫ ডিসেম্বর বিপুল গণসংবর্ধনার মধ্য দিয়ে ঢাকায় ফিরে আসেন তারেক রহমান। রাজনৈতিক অস্থিরতা কাটিয়ে ওঠার আপ্রাণ চেষ্টা করা একটি চরম অনিশ্চিত দেশে তখন ফিরে এসেছিলেন তিনি। সে সময় দেশের মূল প্রশাসনিক ও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো ছিল চরম চাপের মুখে, অর্থনীতি ভুগছিল গুরুতর সংকটে এবং তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তনকে কেন্দ্র করে সাধারণ মানুষের প্রত্যাশার পারদ উঠেছিল তুঙ্গে। বিশ্বজুড়ে অভিনন্দন তারেক রহমানের বিজয়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নেতারা অভিনন্দন জানিয়েছেন।

সংকট কাটানো ও জাতীয় ঐক্যের নতুন দিগন্ত

দীর্ঘদিন দূর দেশে বসবাস করলেও দেশে ফিরে তারেক রহমান রাজনৈতিক পরিপক্বতা ও দূরদর্শিতার পরিচয় দিতে শুরু করেন। তিনি পাবলিক প্ল্যাটফর্মে বাংলাদেশের সামনে থাকা বহুমুখী চ্যালেঞ্জ এবং তা মোকাবিলায় জাতীয় ঐক্যের অপরিহার্যতা নিয়ে সোচ্চার ভূমিকা পালন করেন। বৃটেনে নির্বাসিত জীবনের সাধারণ জীবনের স্বাধীনতা, বিশেষ করে সার্বক্ষণিক রাজনৈতিক ও সরকারি দায়িত্বের কঠোর চাপ ছাড়াই মুক্তভাবে হাঁটাচলার সুযোগের কথা তিনি সশ্রদ্ধভাবে স্মরণ করেন। তবে নিজ মাতৃভূমির সেবায় ফিরে এসে তিনি মূল রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় পুরোপুরি মনোনিবেশ করেন। পরবর্তীতে ২০২৬ সালের ১২ই ফেব্রুয়ারি দেশে সর্বজনগ্রাহ্য ও অবাধ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এই ঐতিহাসিক নির্বাচনে বিএনপি নিরঙ্কুশ ও নিশ্চিত বিজয় অর্জন করে। এরপরের ঘটনাবলী অত্যন্ত দ্রুত গতিতে এগিয়ে যায় এবং ২০২৬ সালের ১৭ই ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ গ্রহণ করেন তারেক রহমান।

বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের কৌশলগত ও অর্থনৈতিক বাস্তবতা

দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায় পররাষ্ট্রনীতি ও আঞ্চলিক সম্পর্কের ভারসাম্য রক্ষা করা। বিশেষ করে নিকট প্রতিবেশী ভারতের সাথে সম্পর্ক কোন দিকে যাবে, তা নিয়ে নানা সমীকরণ তৈরি হয়। তবে কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, কোনো দেশই অন্য দেশের কাছে তাদের প্রতিটি দাবি হুবহু মেনে নেওয়ার অবাস্তব প্রত্যাশা করতে পারে না। বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্কের ইতিবাচক পথ তৈরি করতে হলে দুই পক্ষকেই পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও স্বার্থের ভিত্তিতে কাজ করতে হবে। বাংলাদেশের জন্য ভারতের ভৌগোলিক ও অর্থনৈতিক গুরুত্ব যেমন রয়েছে, ঠিক তেমনি ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোর স্থায়িত্ব ও নিরাপত্তার জন্য একটি স্থিতিশীল বাংলাদেশ অত্যন্ত জরুরি। এই দ্বিপাক্ষিক কাঠামোর মধ্যে অর্থনৈতিক সহযোগিতা, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা, তিস্তাসহ অভিন্ন নদীর পানিবণ্টন এবং বাণিজ্য ভারসাম্যহীনতার মতো সংবেদনশীল বিষয়গুলো ঝুলে রয়েছে, যার সমাধান যৌথ রাজনৈতিক সদিচ্ছার ওপর নির্ভর করছে। নিরাপত্তা, প্রকাশ্য বক্তব্য এবং দ্বিপক্ষীয় প্রত্যাশা নিয়ে উত্তেজনার কারণে সম্পর্কের অগ্রগতি কঠিন হয়ে পড়ে। ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনে গিয়ে শোকবইয়ে স্বাক্ষর করেন। নির্বাচনের পরও ভারতের যোগাযোগ অব্যাহত থাকে। একই সঙ্গে নেতাদের ব্যক্তিগত সখ্যের পরিবর্তে গণতান্ত্রিক বৈধতা ও অভিন্ন স্বার্থের প্রেক্ষাপটে সম্পর্কটিকে তুলে ধরা হয়েছে। বাংলাদেশের দায়িত্বপ্রাপ্ত পররাষ্ট্রসচিব আসাদ আলম সিয়ামকে নয়াদিল্লিতে হাইকমিশনার হিসেবে পাঠানোর সিদ্ধান্ত দুই দেশের সম্পর্ককে বাস্তব গুরুত্ব দেয়ার ইঙ্গিত বহন করে। দায়িত্বে থাকা পররাষ্ট্রসচিবকে নয়াদিল্লিতে পাঠানোর ফলে এই নিয়োগ যথেষ্ট কূটনৈতিক গুরুত্ব পেয়েছে। বাংলাদেশের প্রয়োজন বিনিয়োগ, রপ্তানি বাজার, জ্বালানি নিরাপত্তা ও কর্মসংস্থান। অন্যদিকে বিএনপির ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নির্বাচনী ইশতেহারের আলোকে কোনো একক শক্তির ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা ছাড়াই বিনিয়োগ আকর্ষণের প্রতিশ্রুতি ভারসাম্য রক্ষার নীতির দিকে ইঙ্গিত করে, একক পক্ষের সঙ্গে রাজনৈতিকভাবে একীভূত হওয়ার দিকে নয়।

সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ ও সম্প্রীতির বার্তা

জাতীয় সংহতি প্রতিষ্ঠার অংশ হিসেবে এবং বাংলাদেশের হিন্দু সম্প্রদায়ের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারের দৃশ্যমান ও কার্যকর উদ্যোগ হিসেবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরাসরি মাঠে নেমেছেন। দেশে সার্বজনীন দুর্গাপূজার অনুষ্ঠানে স্বশরীরে অংশ নিয়ে তিনি দেশীয় ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এক বড় ধরনের বার্তা প্রদান করেছেন। তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, বাংলাদেশের টেকসই উন্নয়নের জন্য সব ধর্মের মানুষকে সমান অংশীদারিত্ব নিয়ে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। ধর্মীয় সম্প্রীতি ও অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করে গত ২০ অক্টোবর রংপুরের ঐতিহ্যবাহী রাধাগোবیند ধর্মসভা মন্দিরে শারদীয় শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে আবেগঘন বক্তব্যে তিনি বলেন, বাংলাদেশ মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টান—জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে দেশের প্রতিটি নাগরিকের সমান অধিকার রয়েছে এবং রাষ্ট্র এই অধিকার রক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

বক্তব্যে তিনি ইতিহাসের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং পরবর্তীতে বিভিন্ন সময়ে গণতান্ত্রিক ও নাগরিক অধিকার পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে এ দেশের সাধারণ মানুষের মধ্যে যে অভূতপূর্ব একতা ও সম্প্রীতি দেখা গিয়েছিল, সেটিই আমাদের জাতীয় শক্তির উৎস। সেই ঐতিহাসিক একতাবদ্ধ চেতনাকে নতুন বাংলাদেশ পুনর্গঠনে কাজে লাগাতে হবে। এর মাধ্যমে তিনি বিশ্ব সম্প্রদায় এবং প্রতিবেশীদের এই স্পষ্ট বার্তা দিতে চেয়েছেন যে, বর্তমান বাংলাদেশে প্রতিটি নাগরিকের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত।

পররাষ্ট্রনীতির ক্ষেত্রে শীর্ষ পর্যায়ের নতুন সুযোগ

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বহুমাত্রিক দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক পুনর্গঠন ও এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য দিল্লি সফর শীর্ষ পর্যায়ে সর্বোচ্চ আলোচনার একটি অনন্য ও ঐতিহাসিক সুযোগ তৈরি করেছে। এর মাধ্যমে ঢাকা ও দিল্লির মধ্যবর্তী অস্পষ্টতা দূর করা সম্ভব হতে পারে। দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য প্রসারে অবকাঠামোগত ট্রানজিট এবং দক্ষিণ এশীয় অঞ্চলের ভূ-রাজনৈতিক ভারসাম্য রক্ষার ক্ষেত্রে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন নতুন সরকারের কৌশল বেশ গুরুত্বপূর্ণ। নতুন সরকার আসার পর থেকে উভয় দেশই তাদের কৌশলগত স্বার্থ বজায় রেখে ইতিবাচক সম্পর্ক জোরদার করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। কূটনৈতিক বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, যদি নভেম্বরের সফরটি সফলভাবে বাস্তবায়িত হয়, তবে তা দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতিতে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করবে। অবিশ্বাসের বরফ গলিয়ে একটি দায়িত্বশীল, সমতাভিত্তিক ও দীর্ঘস্থায়ী সহযোগিতার সম্পর্কের সূচনা হতে পারে এই ঐতিহাসিক সফরের মধ্য দিয়ে।

স্পেনে দুই ট্রেনের সংঘর্ষে অন্তত ৪৬ জনের প্রাণহানি স্পেনে দুই ট্রেনের সংঘর্ষে অন্তত ৪৬ জনের প্রাণহানি ডাকসুতে জিতলেই বাংলাদেশে ইসলাম বিজয়ী হবে: মিয়া গোলাম পরওয়ার ডাকসুতে জিতলেই বাংলাদেশে ইসলাম বিজয়ী হবে: মিয়া গোলাম পরওয়ার ৬৩ বছরের ক্যারিয়ার শেষে অবসরে ৮৩ বছর বয়সী ক্যারল ফেয়ার ৬৩ বছরের ক্যারিয়ার শেষে অবসরে ৮৩ বছর বয়সী ক্যারল ফেয়ার সয়াবিন তেলের দাম লিটারে ১৪ টাকা বাড়ানোর প্রস্তাব সয়াবিন তেলের দাম লিটারে ১৪ টাকা বাড়ানোর প্রস্তাব জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তরে ৯৫ জনের বিশাল নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তরে ৯৫ জনের বিশাল নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি চুয়াডাঙ্গায় পালিত জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস চুয়াডাঙ্গায় পালিত জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস রপ্তানি পণ্য বহুমুখীকরণে জাপানের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রপ্তানি পণ্য বহুমুখীকরণে জাপানের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আইইডিসিআর কার্যালয়ে পরিচালককে নিরাপত্তা ঘটনায়, অভিযোগ ড্যাব কর্মীদের বিরুদ্ধে আইইডিসিআর কার্যালয়ে পরিচালককে নিরাপত্তা ঘটনায়, অভিযোগ ড্যাব কর্মীদের বিরুদ্ধে রংপুরে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে নিহত ৪, হাসপাতালে ১৮ যাত্রী রংপুরে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে নিহত ৪, হাসপাতালে ১৮ যাত্রী গুলশানে ব্র্যাক ব্যাংক ও প্রথমার দুই দিনব্যাপী বইমেলার যাত্রা গুলশানে ব্র্যাক ব্যাংক ও প্রথমার দুই দিনব্যাপী বইমেলার যাত্রা
সব খবর
শিরোনাম :
স্পেনে দুই ট্রেনের সংঘর্ষে অন্তত ৪৬ জনের প্রাণহানি ডাকসুতে জিতলেই বাংলাদেশে ইসলাম বিজয়ী হবে: মিয়া গোলাম পরওয়ার ৬৩ বছরের ক্যারিয়ার শেষে অবসরে ৮৩ বছর বয়সী ক্যারল ফেয়ার সয়াবিন তেলের দাম লিটারে ১৪ টাকা বাড়ানোর প্রস্তাব জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তরে ৯৫ জনের বিশাল নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি চুয়াডাঙ্গায় পালিত জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস রপ্তানি পণ্য বহুমুখীকরণে জাপানের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আইইডিসিআর কার্যালয়ে পরিচালককে নিরাপত্তা ঘটনায়, অভিযোগ ড্যাব কর্মীদের বিরুদ্ধে রংপুরে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে নিহত ৪, হাসপাতালে ১৮ যাত্রী গুলশানে ব্র্যাক ব্যাংক ও প্রথমার দুই দিনব্যাপী বইমেলার যাত্রা লুটপাটে স্বাস্থ্য খাত ধ্বংস করেছে ফ্যাসিস্ট সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী চট্টগ্রাম বন্দরে ৩৯৩ জনের বিশাল নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ আইএস সংশ্লিষ্টতায় মার্কিন তরুণী হালিমা সালমান দোষী সাব্যস্ত নতুন বেতনকাঠামো বাস্তবায়নে ৫ হাজার কোটি টাকা ঋণ নিচ্ছে সরকার হুতিদের শান্ত করতে ১০০ কোটি ডলারের প্যাকেজ প্রস্তাব সৌদি আরবের পাক-আফগান সীমান্তে পাল্টাপাল্টি হামলা: নিহত ১, আহত ৫ কারাবাও কাপে আর্সেনালকে হারিয়ে ইতিহাস গড়ল ফ্লিটউড টাউন ঘূর্ণিঝড় অর্ণব: উপকূলে বৃষ্টি ও তাপমাত্রার পতন, বহাল ৩ নম্বর সংকেত দেশবিরোধী চক্রান্ত রুখতে যুবদল রাজপথে সতর্ক থাকবে: রুহুল কুদ্দুস দুলু স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী |: ‘ক্রসফায়ারের’ ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স স্পেনে দুই ট্রেনের সংঘর্ষে অন্তত ৪৬ জনের প্রাণহানি ডাকসুতে জিতলেই বাংলাদেশে ইসলাম বিজয়ী হবে: মিয়া গোলাম পরওয়ার ৬৩ বছরের ক্যারিয়ার শেষে অবসরে ৮৩ বছর বয়সী ক্যারল ফেয়ার সয়াবিন তেলের দাম লিটারে ১৪ টাকা বাড়ানোর প্রস্তাব জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তরে ৯৫ জনের বিশাল নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি চুয়াডাঙ্গায় পালিত জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস রপ্তানি পণ্য বহুমুখীকরণে জাপানের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আইইডিসিআর কার্যালয়ে পরিচালককে নিরাপত্তা ঘটনায়, অভিযোগ ড্যাব কর্মীদের বিরুদ্ধে রংপুরে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে নিহত ৪, হাসপাতালে ১৮ যাত্রী গুলশানে ব্র্যাক ব্যাংক ও প্রথমার দুই দিনব্যাপী বইমেলার যাত্রা লুটপাটে স্বাস্থ্য খাত ধ্বংস করেছে ফ্যাসিস্ট সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী চট্টগ্রাম বন্দরে ৩৯৩ জনের বিশাল নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ আইএস সংশ্লিষ্টতায় মার্কিন তরুণী হালিমা সালমান দোষী সাব্যস্ত নতুন বেতনকাঠামো বাস্তবায়নে ৫ হাজার কোটি টাকা ঋণ নিচ্ছে সরকার হুতিদের শান্ত করতে ১০০ কোটি ডলারের প্যাকেজ প্রস্তাব সৌদি আরবের পাক-আফগান সীমান্তে পাল্টাপাল্টি হামলা: নিহত ১, আহত ৫ কারাবাও কাপে আর্সেনালকে হারিয়ে ইতিহাস গড়ল ফ্লিটউড টাউন ঘূর্ণিঝড় অর্ণব: উপকূলে বৃষ্টি ও তাপমাত্রার পতন, বহাল ৩ নম্বর সংকেত দেশবিরোধী চক্রান্ত রুখতে যুবদল রাজপথে সতর্ক থাকবে: রুহুল কুদ্দুস দুলু স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী |: ‘ক্রসফায়ারের’ ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স