জুলাই বিপ্লবের পর দেশের তরুণ সমাজ যে কর্মসংস্থানের অধিকার প্রত্যাশা করেছিল, তা কেড়ে নেওয়ার পরিকল্পনা চলছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি জেনারেল সিবগাতুল্লাহ সিবগাহ। শনিবার ১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা-রংপুর লংমার্চের অংশ হিসেবে রংপুর জেলা স্কুল মাঠে আয়োজিত এক বিশাল জনসভায় তিনি এ অভিযোগ করেন।
সিবগাতুল্লাহ বলেন, সরকার নতুন কোনো কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করতে ব্যর্থ হয়েছে। উল্টো ভাইভার মাধ্যমে সাধারণ ও মেধাবী তরুণদের চাকরির ক্ষেত্র থেকে বাদ দেওয়ার অপচেষ্টা চলছে। তিনি আরও দাবি করেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে আবারও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছে সরকার, যা অতীতে কোনো ফ্যাসিবাদী সরকারকেই শেষ পর্যন্ত রক্ষা করতে পারেনি।
এদিন ১১ দলীয় ঐক্যের উদ্যোগে আট দফা দাবিতে ঢাকা থেকে রংপুরের উদ্দেশে লংমার্চ শুরু হয়। সকালের দিকে রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ থেকে যাত্রা শুরু করে লংমার্চটি গাজীপুর, টাঙ্গাইল, সিরাজগঞ্জ ও বগুড়াসহ বিভিন্ন স্থানে পথসভা করে। গাইবান্ধার পলাশবাড়ী চৌমাথায় আরেকটি পথসভা শেষে লংমার্চটি রংপুরে পৌঁছায় এবং সেখানে জনসভার মধ্য দিয়ে কর্মসূচি শেষ হয়।
লংমার্চের দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন, গণভোটের রায় কার্যকর, তিস্তা ব্যারেজ প্রকল্প দ্রুত সম্পন্ন করা এবং চাঁদাবাজি বন্ধ। প্রসঙ্গত, এর আগের দিন শুক্রবার এক সংবাদ সম্মেলনে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল গোলাম পরওয়ার এই কর্মসূচি বাস্তবায়নে জনগণের ব্যাপক প্রস্তুতির কথা জানিয়েছিলেন। একই সমাবেশে জামায়াত আমির সরকারের সমালোচনা করে মন্তব্য করেন যে, তরুণদের চাকরির পরিবর্তে সরকার সাধারণ মানুষের হাতে চাঁদাবাজির চাবি তুলে দিয়েছে। চাকরির আরও তথ্য: চাকরির বদলে ১ কোটি মানুষের হাতে চাঁদাবাজির চাবি দিয়েছে সরকার: জামায়াত আমির। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: অতীতের ফ্যাসিবাদী সরকার এসব করে টিকে থাকতে পারেনি।’।














