টি-টোয়েন্টি সিরিজে ধবলধোলাই হওয়ার পর ওয়ানডে সিরিজে ঘুরে দাঁড়ানোর লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নেমেছিল শ্রীলঙ্কা। তবে তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথমটিতেই স্বাগতিক ইংল্যান্ডের কাছে বড় ব্যবধানে হার মানতে হয়েছে তাদের। উইল জ্যাকসের অলরাউন্ড নৈপুণ্যে ৮৯ রানের সহজ জয় তুলে নিয়ে সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল ইংলিশরা। চেস্টার-লি-স্ট্রিটে টস জিতে শুরুতে ব্যাটিং করা ইংল্যান্ড ৪৮.১ ওভারে ২৬৫ রানে গুটিয়ে যায়। দলের হয়ে অধিনায়ক হ্যারি ব্রুক ৬৯ বলে ৬৭ ও অভিজ্ঞ জো রুট ৫২ বলে ৪৪ রানের দায়িত্বশীল ইনিংস খেলেন। এছাড়া জস বাটলার ৩১ রান যোগ করেন। তবে দলের বিপর্যয়ের মুখে উইল জ্যাকস ৪৭ বলে পাঁচটি চারের সাহায্যে ৪৬ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলে দলের সংগ্রহকে লড়াকু অবস্থানে নিয়ে যান। সফরকারীদের হয়ে আসিথা ফার্নান্দো ও সাচিন্দু কলম্বাগ ৩টি করে উইকেট দখল করেন।
২৬৬ রানের জয়ের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে ইংলিশ বোলারদের তোপের মুখে পড়ে শ্রীলঙ্কার ব্যাটাররা। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে ৩৭ ওভারেই ১৭৬ রানে অলআউট হয়ে যায় লঙ্কানরা। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৪৫ রান করেন দুনিত ওয়েলালাগে, এছাড়া অধিনায়ক কুশল মেন্ডিস ৪২ রানের ইনিংস খেললেও তা জয়ের জন্য যথেষ্ট ছিল না।
ম্যাচে বল হাতে ক্যারিয়ারের সেরা সময় পার করেছেন অফ-স্পিনার উইল জ্যাকস। মাত্র ২২ রান খরচায় ৫ উইকেট শিকার করে লঙ্কানদের ব্যাটিং লাইনআপ ধসিয়ে দেন তিনি। ওয়ানডে ইতিহাসে এটি কোনো ইংলিশ স্পিনারের দ্বিতীয় সেরা বোলিং ফিগার এবং জ্যাকসের আন্তর্জাতিক ওয়ানডে ক্যারিয়ারের প্রথম ‘ফাইফার’।
ব্যাটিংয়ে অপরাজিত ৪৬ রানের পাশাপাশি বোলিংয়ে ৫ উইকেট নেওয়ার অবিশ্বাস্য পারফরম্যান্সের সুবাদে ম্যাচসেরার পুরস্কার জিতেছেন উইল জ্যাকস। তার এই বিধ্বংসী নৈপুণ্যের কাছেই হার মানে সফরকারী শ্রীলঙ্কা। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: শুরুতেই ১৬ রানে ওপেনার টম ব্যান্টার (১০) প্যাভিলিয়নে ফিরলেও অভিজ্ঞ জো রুট এবং বেন ডাকেট প্রাথমিক চাপ সামাল দেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: রুট ৫২ বলে ৪৪ এবং অধিনায়ক হ্যারি ব্রুক ৬৯ বলে ৬৭ রানের দায়িত্বশীল ইনিংস খেললে ৩১ ওভার শেষে ৩ উইকেটে ১৮২ রানের শক্ত ভিত পায় স্বাগতিকরা। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: কিন্তু ব্রুকের বিদায়ের পরই হঠাৎ ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে দলটি।

















