সরকারি হাসপাতালের সামনে নতুন করে কোনো ক্লিনিক বা ডায়াগনস্টিক সেন্টারের অনুমোদন দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকালে মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান। মন্ত্রী বলেন, অতীতে সরকারি হাসপাতালের আশপাশে অনেক ডায়াগনস্টিক সেন্টারের অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল, তবে বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর এই নীতি পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ইতোমধ্যে অনুমোদন পাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলো অনিয়ম করলে বন্ধ করে দেওয়া হবে।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের উন্নয়ন পরিকল্পনা
- আগামী অক্টোবর থেকে গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ৫০ শয্যা থেকে ১৫১ শয্যায় উন্নীত করার কাজ শুরু হবে।
- আগামী দুই বছরের মধ্যে একসঙ্গে ১০ জন রোগীকে ডায়ালাইসিস দেওয়ার আধুনিক ব্যবস্থা করা হবে।
- হাসপাতালে অত্যাধুনিক প্যাথলজি ল্যাব এবং নারী ও পুরুষের জন্য আলাদা ফিজিওথেরাপি সেন্টার চালু করা হবে।
সাপে কাটার চিকিৎসা প্রসঙ্গে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, দেশের প্রতিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পর্যাপ্ত অ্যান্টিভেনম মজুত রয়েছে। তিনি বলেন, সাপের দংশনের পর রোগী বিষধর সাপের কামড়ের শিকার হয়েছেন কি না, তা নিশ্চিত করতে অনেক সময় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়। হাসপাতালে পৌঁছাতে দেরি হলে রোগীর অবস্থা সংকটাপন্ন হয়ে পড়ে, তাই সাপে কাটার সঙ্গে সঙ্গে দেরি না করে রোগীকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে আসার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। পরিদর্শনকালে স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা হাসপাতালের বিভিন্ন অনিয়মের কথা জানালে মন্ত্রী দ্রুত সমাধানের আশ্বাস প্রদান করেন। পরিদর্শনকালে মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান রতন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মে হাফছা নাদিয়া, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা শারমিন তিথি এবং আবাসিক মেডিকেল অফিসার নুসরাত ফারজানা খানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

















