রাজধানীর ধানমন্ডি ২৭ নম্বর অর্থাৎ সাতমসজিদ রোড এলাকায় আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করেছে আকিজ ইনসাফ ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড কনসালটেশন সেন্টার। গত ২৭ সেপ্টেম্বর আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যসেবা খাতের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক শেখ জামিল উদ্দিন এবং পরিচালক রেজওয়ানা আফরোজ নতুন এই স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রের শুভ সূচনা করেন।
‘প্রতিটি পদক্ষেপে যত্ন ও ইতিবাচক অভিজ্ঞতা’ বা ‘কেয়ার অ্যান্ড হ্যাপি এক্সপেরিয়েন্স অ্যাট এভরি স্টেপ’ শ্লোগানকে সামনে রেখে এই সেন্টারটি তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করবে। এখানে আধুনিক প্রযুক্তি ও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সমন্বয়ে রোগীদের রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসার পরামর্শ দেওয়া হবে। সেবার পরিধির মধ্যে রয়েছে এমআরআই, সিটি স্ক্যান, এক্স-রে, ম্যামোগ্রাফি, আলট্রাসনোগ্রাফি, ইটিটি ও ইকোকার্ডিওগ্রামের মতো আধুনিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা। এছাড়া এখানে নিয়মিত রোগী দেখবেন বিভিন্ন বিভাগের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকেরা।
উদ্বোধনের মাসব্যাপী বিশেষ সুবিধা হিসেবে প্যাথলজি, রেডিওলজি ও ইমেজিং টেস্টের বড় একটি অংশে সর্বোচ্চ ৫০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড়ের ঘোষণা দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। রোগীদের সেবায় প্রযুক্তি ও আধুনিক সরঞ্জামের সমন্বয় ঘটিয়েছে তারা। বিশেষ করে বয়স্ক কিংবা চলাচলে অক্ষম রোগীদের যাতায়াত সহজ ও নিরাপদ করতে ইলেকট্রিক স্ট্রেচার, ইলেকট্রিক হুইলচেয়ার এবং উচ্চতা সামঞ্জস্যযোগ্য ‘অটো হাইট অ্যাডজাস্টেবল’ বেড স্থাপন করা হয়েছে। বেশির ভাগ প্যাথলজি, রেডিওলজি ও ইমেজিং টেস্টে সর্বোচ্চ ৫০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড় পাচ্ছেন রোগীরা। সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, উদ্বোধন উপলক্ষে মাসব্যাপী পরীক্ষা-নিরীক্ষায় বিশেষ সুবিধা দিচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি। এর ফলে প্রবীণ, অতিরিক্ত ওজনের কিংবা চলাচলে অসুবিধা থাকা রোগীদের অ্যাম্বুলেন্স থেকে চিকিৎসকের চেম্বার পর্যন্ত আনা-নেওয়া সহজ ও নিরাপদ হবে।
ডিজিটাল প্রযুক্তির সুবিধার অংশ হিসেবে সেন্টারটিতে অনলাইন বুকিং পদ্ধতি চালু করা হয়েছে। রোগীরা পরীক্ষার বুকিং দেওয়ার সময় প্রস্তুতির নির্দেশনামূলক ভিডিও দেখার সুযোগ পাবেন, যা তাদের বাড়তি সচেতনতা নিশ্চিত করবে। সেন্টারের বিভিন্ন ফ্লোরে থাকা ডিসপ্লে মনিটরেও নিয়মিত এই তথ্যগুলো প্রদর্শিত হচ্ছে। আকিজ ইনসাফ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আধুনিক চিকিৎসা সেবার প্রতিটি ধাপে রোগীর স্বাচ্ছন্দ্য ও মানসম্মত অভিজ্ঞতাই তাদের মূল লক্ষ্য। এ ছাড়া সেন্টারের বিভিন্ন ফ্লোরের ডিসপ্লে মনিটরেও নিয়মিত এসব প্রস্তুতিমূলক তথ্য প্রদর্শন করা হচ্ছে, যাতে রোগী ও স্বজনেরা আগেই সচেতন হতে পারেন।

















