ভারতে রাজনৈতিক ক্ষমতার অন্যতম প্রধান ভিত্তি হিসেবে বিবেচিত প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বলিষ্ঠ ভাবমূর্তি এখন তরুণদের নেতৃত্বাধীন আন্দোলনের মুখে নতুন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি। দেশে ক্রমবর্ধমান এই প্রতিবাদ ও তার বিপরীতে সরকারের কঠোর অবস্থান রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
লন্ডনের সোয়াস বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগের রিডার এবং সাউথ এশিয়া ইনস্টিটিউটের পরিচালক ড. সুবীর সিনহা চলমান পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে বিষয়টি তুলে ধরেছেন। তার মতে, এই বিক্ষোভের রাজনৈতিক গভীরতা কেবল সংঘাত কিংবা বিরোধী কর্মীদের গ্রেপ্তারের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়।
বিশ্লেষণে আরও বলা হয়, বিক্ষোভ দমাতে সরকারের দমনপীড়নের কৌশল মূলত মোদি প্রশাসনের রাজনৈতিক কর্তৃত্ব ও প্রাতিষ্ঠানিক বৈধতার ভেতরের ভঙ্গুর অবস্থাকেই প্রকাশ করে দিচ্ছে। রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের ধারাবাহিক বিরোধ সেই সীমাবদ্ধতাকে আরও স্পষ্ট করছে।
তরুণদের তৈরি করা এই আন্দোলন দীর্ঘদিনের প্রতিষ্ঠিত রাজনৈতিক ভাবমূর্তি ভেঙে দিতে পারবে কি না এবং এতে মোদির নেতৃত্বের ওপর কী ধরনের প্রভাব পড়বে, তা এখন রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের গভীর পর্যবেক্ষণে রয়েছে। খবর ফ্রান্স টোয়েন্টিফোর ইংলিশ-এর।

















