মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনীতিতে বর্তমানে রিয়াদ এক জটিল মোড়ের মুখোমুখি এসে দাঁড়িয়েছে। ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের পক্ষ থেকে আসা ক্রমাগত সামরিক হুমকি, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনপ্রদত্ত নিরাপত্তা বলয়ের অনিশ্চয়তা এবং বিশ্ব তেলের বাজারে ঐতিহাসিকভাবে চলে আসা একক আধিপত্য বা প্রভাব কমে যাওয়ার আশঙ্কায় চরম চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে সৌদি আরব। দেশের অভ্যন্তরীণ অর্থনৈতিক কাঠামো রক্ষা ও কৌশলগত স্থিতিশীলতা বজায় রাখার তাগিদে রিয়াদ এখন বিকল্প সামরিক ও বাণিজ্যিক অংশীদার খোঁজার দিকে ঝুঁকছে। তবে বিশ্লেষকদের মতে, এ জাতীয় পদক্ষেপ দেশটির জন্য আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে নতুন এক ধরণের নির্ভরশীলতা তৈরি করতে পারে। হুথি আন্দোলনের জন্মভূমি সাদায় ঐতিহাসিকভাবে জায়েদি শিয়া জনগোষ্ঠীর মধ্যে সৌদি সমর্থিত সালাফি মতাদর্শের বিস্তার বিরোধকে আরও গভীর পরিচয়গত মাত্রা দেয়। যুক্তরাষ্ট্র দেখিয়েছে, উপসাগরীয় অঞ্চলে তার প্রধান মিত্রের নিরাপত্তা থেকে আলাদা করেও নিজের নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা ও সমঝোতা করতে পারে। এতে অতীতের ক্ষোভ আরও গভীর হয় এবং হুথিরা সমর্থক সংগ্রহের শক্তিশালী ভিত্তি পায়। নিবন্ধ অনুযায়ী, চুক্তিটি সক্রিয় করা হয়েছে এবং নীতিগতভাবে প্রতিরক্ষামূলক সেনা মোতায়েনের বিষয়ে সম্মতি হয়েছে।
বিভিন্ন রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক বাস্তবতায় তৈরি হওয়া এসব অভূতপূর্ব পরিবর্তন শেষ পর্যন্ত মধ্যপ্রাচ্যের এই প্রভাবশালী শক্তিকে একটি মৌলিক প্রশ্নের মুখোমুখি দাঁড় করিয়েছে। নিজেদের ক্ষমতার যে প্রধান প্রধান উপকরণ বা শক্তিগুলো ছিল, সেগুলোই যখন আন্তর্জাতিক ভূরাজনীতিতে দর-কষাকষির হাতিয়ার হয়ে উঠছে, তখন রিয়াদ ঠিক কতটা স্বাধীন ও স্বায়ত্তশাসিতভাবে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তগুলো গ্রহণ করতে পারবে—তা নিয়ে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মনে নতুন সন্দেহ দানা বাঁধছে। তবে হামলা তীব্র হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এসব অবস্থানও বদলাচ্ছে।
ঐতিহাসিক সংঘাত ও সাম্প্রতিক হুথি তৎপরতা
সৌদি আরবের দক্ষিণ সীমান্তে দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা দ্বিপাক্ষিক উত্তেজনা আবারও আলোচনার মূল কেন্দ্রে চলে এসেছে। রিয়াদ সব সময় চেয়েছে যে তার সীমানা সংলগ্ন অঞ্চলে যেন কোনো শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বী মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে না পারে। মূলত দুই দেশের বিরোধের শিকড় নিহিত রয়েছে সৌদি সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠার প্রারম্ভিক ইতিহাসে। ঐতিহাসিক তথ্য পর্যালোচনা করলে দেখা যায় প্রথম পরীক্ষাতেই এই অস্পষ্টতা সামনে এসেছে।
- ১৯৩৪ সালে সংগঠিত রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ এবং পরবর্তী সময়ে স্বাক্ষরিত তায়েফ চুক্তি দুই প্রতিবেশীর কূটনৈতিক সম্পর্কের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করে।
- ঐতিহাসিক সীমানা সংক্রান্ত এই চুক্তির মাধ্যমে আসির, জিজান এবং নাজরান অঞ্চলের প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণ সম্পর্কিত বিতর্ক সৃষ্টি হয়, যা সুদীর্ঘকাল ধরে প্রভাব বিস্তার করে আসছে।
- যদিও পরবর্তীতে ২০০০ সালে উভয় দেশ আনুষ্ঠানিকভাবে সীমানা চূড়ান্তভাবে নির্ধারণ করতে সক্ষম হয়েছিল, কিন্তু বিগত কয়েক দশকের মনস্তাত্ত্বিক ক্ষত এবং সীমানা সংক্রান্ত অসন্তোষ রাজনৈতিক অঙ্গন থেকে পুরোপুরি মুছে যায়নি।
পরবর্তীকালে ১৯৯০-এর দশকে ইয়েমেনের অভ্যন্তরে রাজনৈতিক ও ধর্মীয় ভারসাম্য রক্ষায় রিয়াদ অব্যাহত রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা চালায়। কিন্তু এই হস্তক্ষেপ উল্টো উল্টো ফল প্রদান করে এবং সেখানে প্রতিরোধ আন্দোলনকে ত্বরান্বিত করে। এই প্রক্রিয়ায় উত্তর ইয়েমেনে জায়েদি পুনর্জাগরণ আন্দোলন গড়ে ওঠে, যা পরবর্তী সময়ে সানার তৎকালীন কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে সামরিক সংঘাতের রূপ পরিগ্রহ করে। দীর্ঘদিনের এই অভ্যন্তরীণ বিভাজনকে কাজে লাগিয়ে আঞ্চলিক প্রতিপক্ষগুলো হুথিদের সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে জ্বালানি সরবরাহ করে। কিন্তু হুথি বিদ্রোহীরা এই সমীকরণ উল্টে দিয়েছে।
২০১৫ সালে ইয়েমেন সংকট চরম আকার ধারণ করলে একটি বহুমুখী সামরিক অভিযান শুরু হয়, যা সমগ্র অঞ্চলে নজিরবিহীন বিধ্বংসী প্রভাব ফেলে। বহু বছরের যুদ্ধের ধ্বংসস্তূপের পর ২০২২ সালে জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় একটি সাময়িক যুদ্ধবিরতি এবং দীর্ঘমেয়াদী রোডম্যাপ ঘোষিত হয়। এই উদ্যোগের ফলে সাময়িকভাবে সামরিক হামলা প্রতিহত করা সম্ভব হলেও শেষ পর্যন্ত পূর্ণাঙ্গ শান্তি প্রতিষ্ঠা পায়নি। হুথিদের কৌশলগত লক্ষ্য স্পষ্ট; তাদের মতে, রিয়াদে আঘাত করার প্রাথমিক উদ্দেশ্য হলো আরব উপদ্বীপে ওয়াশিংটনের প্রধান মিত্রকে তার রাজনৈতিক অবস্থানের জন্য চরম মূল্য দিতে বাধ্য করা। ২০১৫ সালে শুরু হওয়া যুদ্ধ ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ ও দুর্ভোগ সৃষ্টি করে। ২০২২ সালের যুদ্ধবিরতি এবং জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে আলোচিত রোডম্যাপ সাময়িকভাবে সংঘাতের গতি কমিয়ে দিয়েছিল।
অর্থনৈতিক রূপান্তর ও ‘ভিশন ২০৩০’ পরিকল্পনার ঝুঁকি
সৌদি সরকারের উচ্চাকাঙ্ক্ষী নীতি ‘ভিশন ২০৩০’-এর মূল ভিত্তিই হলো আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তা। বিদেশি মূলধন আকৃষ্ট করা, আন্তর্জাতিক পর্যটন খাতকে ত্বরান্বিত করা এবং বৈশ্বিক বিমান চলাচলের অন্যতম হাব হিসেবে রিয়াদকে গড়ে তোলার জন্য একটি শান্তিপূর্ণ পরিবেশ অপরিহার্য। তবে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, আরামকোর জ্বালানি তেল অবকাঠামো এবং মূল বেসামরিক ব্যবস্থার ওপর হুথি ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা এই অর্থনৈতিক পরিকল্পনাকে মারাত্মক ঝুঁকির মুখে ফেলে দিয়েছে। একই সময়ে বিশ্ব তেলবাজারে বিভাজন বাড়ছে এবং নিরাপত্তার নিশ্চয়তা দেওয়ার প্রচলিত ব্যবস্থার শর্তও বদলে যাচ্ছে। বিদেশি বিনিয়োগ, পর্যটন, বিমান চলাচল এবং অর্থনীতিতে বহুমুখীকরণ—সবকিছুর জন্যই নিরাপদ পরিবেশ জরুরি।
ঝুঁকির ব্যাপ্তি এখন কেবল দক্ষিণ সীমান্তেই সীমাবদ্ধ নেই, বরং লোহিত সাগর ও সংলগ্ন আন্তর্জাতিক জ্বালানি পরিবহন পথগুলোতেও ছড়িয়ে পড়েছে। বিশ্লেষকদের পর্যালোচনায় স্পষ্ট হয় যে
- ইরাক থেকে পরিচালিত একাধিক হামলায় দেশের পূর্ব-পশ্চিম প্রান্তের প্রধান তেল পাইপলাইনগুলো ক্ষতিগ্রস্ত বা ব্যাহত হওয়ার হুমকিতে পড়ে।
- আন্তর্জাতিক সমুদ্রে রিয়াদমুখী ও রিয়াদ থেকে পরিচালিত পণ্যবাহী জাহাজের নিরাপত্তাহীনতা দেশটির কৌশলগত স্বায়ত্তশাসনকে গভীরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।
- লোহিত সাগরে চলমান এই অস্থিরতা সামগ্রিকভাবে ইউরোপের বাজারে জ্বালানি তেল সরবরাহে বড় ধরণের বিঘ্ন ঘটাচ্ছে, যা আন্তর্জাতিক অর্থনীতিকেও প্রভাবিত করছে।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্কের টানাপোড়েন
ওয়াশিংটনের কূটনৈতিক কৌশলে দেখা গেছে, ইরানের ক্ষেত্রে প্রতিপক্ষকে সামরিক আক্রমণের ঝুঁকির মধ্যে ফেলে রাখার নীতি অনুসরণ করা হলেও, রিয়াদের মতো পুরানো মিত্রদের বেলায় তারা সম্পূর্ণ ভিন্ন আচরণ করছে। রিয়াদ যখন তাদের মূল জ্বালানি স্থাপনায় হামলার পর মার্কিন সামরিক বাহিনীর সক্রিয় হস্তক্ষেপ প্রত্যাশা করেছিল, তখন ওয়াশিংটন দৃশ্যত নিজস্ব স্বার্থ রক্ষা করে একটি পৃথক সমঝোতার পথ বেছে নেয়। মাসকাটে অনুষ্ঠিত গোপন ও প্রকাশ্য রাজনৈতিক আলোচনার ফলে সৌদি মালিকানাধীন ও ব্যবহৃত বাণিজ্যতরীগুলো চরম নিরাপত্তা ঝুঁকির মধ্যে পড়ে যায়।
এই অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি সামাল দিতে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর মধ্যে সামরিক সহযোগিতার সমন্বয় ঘটাতে ‘মক্কা চুক্তি’ সংক্রান্ত আলোচনা নতুন মাত্রা পেয়েছে। যদিও এই চুক্তিতে প্রস্তাবিত অনুচ্ছেদগুলো অনেকটা ন্যাটোর অনুচ্ছেদ-৫-এর মতো পারস্পরিক সামরিক সুরক্ষার কথা বলে, তথাপি এটি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে প্রতিটি স্বাধীন রাষ্ট্রের নিজস্ব সার্বভৌম সিদ্ধান্তের ওপরই নির্ভর করতে হবে। আন্তর্জাতিক চাপের প্রেক্ষিতে রিয়াদ এখন ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য ও তুরস্কের মতো বিকল্প রাষ্ট্রগুলোর সাথে প্রতিরক্ষা অংশীদারিত্ব বাড়ানোর কৌশল হাতে নিয়েছে। এর বিপরীতে, চীনের ভূমিকা ভিন্ন; কারণ বেইজিং কেবল রিয়াদের অপরিশোধিত তেলের শীর্ষ ক্রেতাই নয়, ২০২৩ সালে তেহরান ও রিয়াদের মধ্যকার ঐতিহাসিক কূটনৈতিক সম্পর্ক পুনঃস্থাপনেও মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করেছিল। অন্যদিকে, সৌদি আরবের অপরিশোধিত তেলের প্রধান ক্রেতা এবং ২০২৩ সালে রিয়াদ-তেহরান সম্পর্ক পুনঃস্থাপনে ভূমিকা রাখা চীন ভিন্ন অবস্থানে রয়েছে। সৌদি আরবের বিপুল অর্থনৈতিক সম্পদ বস্তুগত ক্ষতি সামাল দিতে পারলেও দীর্ঘস্থায়ী নিরাপত্তাহীনতা দূর করা অনেক কঠিন। ন্যাটোর পঞ্চম অনুচ্ছেদের মতো পারস্পরিক প্রতিরক্ষার ধারণা থেকে অনুপ্রাণিত হলেও এই চুক্তিরও সীমাবদ্ধতা রয়েছে।
তেল বাজার নিয়ন্ত্রণ ও ওপেক প্লাসের ভবিষ্যৎ
নিরাপত্তা খাতের এই পরিবর্তনের পাশাপাশি বিশ্ব তেলের বাজারেও নিজেদের ঐতিহাসিক কর্তৃত্ব হারানোর ঝুঁকিতে রয়েছে রিয়াদ। ঐতিহাসিকভাবে কেবল নিজস্ব খনিজ উৎপাদন নয়, বরং ওপেক (OPEC) ও পরবর্তীকালে ওপেক প্লাসের (OPEC+) সদস্য দেশগুলোর সম্মিলিত সরবরাহ নিয়ন্ত্রণ করে বাজারের দর নির্ধারণ করত দেশটি। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ইরাকের মতো প্রধান উৎপাদক দেশগুলো নিজেদের কোটার বাইরে এসে বাড়তি উৎপাদন বা বাণিজ্যিক স্বায়ত্তশাসন দাবি করায় সেই যৌথ দর-কষাকষির ক্ষমতা সংকুচিত হয়ে আসছে। দেশটি এমন একটি ইয়েমেন চায়, যা আরব উপদ্বীপে প্রতিদ্বন্দ্বী শক্তির উচ্চাকাঙ্ক্ষা ঠেকানোর মতো দুর্বল থাকবে, আবার সৌদি আরবের নিরাপত্তা রক্ষার জন্য যথেষ্ট স্থিতিশীলও থাকবে। কিন্তু জুলাইয়ে রিয়াদ নেতৃত্বাধীন জোটের সানা বিমানবন্দরে হামলার পর সেই যুদ্ধবিরতি ভেঙে পড়ে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অতীতে রিয়াদের ব্যবহৃত প্রধান কৌশলটি ছিল উৎপাদন বাড়িয়ে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দর পতন ঘটানো।
উদাহরণস্বরূপ, ২০২০ সালে রাশিয়াকে দর কষাকষির টেবিলে ফিরিয়ে আনতে রিয়াদ সাময়িকভাবে উৎপাদন বৃদ্ধি করে তেলের দাম দ্রুত কমিয়ে এনেছিল। কিন্তু বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে নতুন করে এমন দামের যুদ্ধ বা ‘প্রাইস ওয়ার’ শুরু করা অসম্ভবপ্রায়। কারণ তেলের দর কমে গেলে ‘ভিশন ২০৩০’ বাস্তবায়নে যে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলারের মূলধন প্রয়োজন, তা সংগৃহীত হবে না। এটি দেশের জনগণের কাছে শাসকমণ্ডলীর বিশ্বাসযোগ্যতা এবং পুরো মুসলিম বিশ্বে রিয়াদের নেতৃত্বের দাবির ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। একই সাথে, ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বরের সন্ত্রাসী হামলাকে কেন্দ্র করে মার্কিন রাজনীতিতে সৌদি আরবের বিরুদ্ধে নতুন করে অভিযোগ তোলার প্রবণতাও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে কূটনৈতিক চাপ সৃষ্টিতে ব্যবহৃত হচ্ছে। ২০২০ সালে তেলের উৎপাদন বাড়ানোর মাধ্যমে রাশিয়াকে কয়েক সপ্তাহের মধ্যে আলোচনার টেবিলে ফিরিয়ে আনা হয়েছিল। ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রে সন্ত্রাসী হামলা নিয়ে সৌদি আরবের বিরুদ্ধে নতুন করে অভিযোগ তোলার প্রবণতা কীভাবে রাজনৈতিক চাপের হাতিয়ার হতে পারে, লেখক সে দিকেও ইঙ্গিত করেছেন। পাকিস্তান নিন্দা ও মধ্যস্থতার ওপর জোর দিয়েছে, আর তুরস্ক কূটনৈতিক যোগাযোগের পথ খোলা রাখতে চেয়েছে।

















