ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনকে কোনোভাবেই ছোট করে দেখার সুযোগ নেই বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন। জাতীয় নির্বাচনের মতোই এই ভোটগ্রহণকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে পরিচালনা করা হচ্ছে বলে বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকালে নির্বাচন ভবন থেকে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণকালে তিনি সাংবাদিকদের জানান। সিইসি বলেন, কেন্দ্রীয়ভাবে পুরো নির্বাচন প্রক্রিয়া কঠোর নজরদারিতে রাখা হয়েছে এবং স্বচ্ছতার সঙ্গেই কাজ চলছে।
নির্বাচনকালীন কোনো ধরনের অভিযোগ যাতে না থাকে, সেজন্য সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। সিইসি জানান, ১১ দলীয় ঐক্যের পক্ষ থেকে যেসব অভিযোগ উত্থাপন করা হয়েছিল, সেগুলো এরই মধ্যে সমাধান করা হয়েছে। অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ ভোট নিশ্চিত করতে প্রশাসন, পুলিশ ও বিজিবিসহ সংশ্লিষ্ট সব বাহিনীকে মাঠে মোতায়েন করা হয়েছে। আচরণবিধি লঙ্ঘনসংক্রান্ত যেকোনো অভিযোগ অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি। অবাধ ও নিরপেক্ষ পরিবেশ বজায় রাখতে সার্বিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলেও আশ্বাস দেন সিইসি।
নির্বাচনী পরিবেশ নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করে সিইসি নাসির উদ্দিন বলেন, আমাদের মূল লক্ষ্য সংঘাতের সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে এসে একটি সুন্দর ও উৎসবমুখর নির্বাচনের সংস্কৃতি গড়ে তোলা। সবার সম্মিলিত সহযোগিতায় দেশে ইতিবাচক একটি নির্বাচনী ধারা প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশ্বস্ত করেন।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ায় শূন্য হওয়া ঠাকুরগাঁও-১ আসনে আজ সকাল ৮টায় ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। বিরতিহীনভাবে ভোট চলবে বিকাল ৪টা পর্যন্ত। এই আসনে মোট ভোটারের সংখ্যা ৫ লাখ ১৬ হাজার ১৪০ জন। ঠাকুরগাঁও সদর, রুহিয়া ও ভুল্লী উপজেলা নিয়ে গঠিত এই নির্বাচনী এলাকায় ভোটাররা তাদের নতুন প্রতিনিধি নির্বাচনের সুযোগ পাচ্ছেন।
নির্বাচনে মোট পাঁচজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন—মির্জা ফয়সল আমিন (ধানের শীষ), মো. দেলাওয়ার হোসেন (দাঁড়িপাল্লা), মো. আবদুল আলীম নিজামী (বটগাছ), হাফেজ মো. খাদেমুল ইসলাম (হাতপাখা) এবং হুসাইন মুহাম্মদ ওমর ফারুক (ডাব)। পাঁচজন প্রার্থীর মধ্যে থেকে এই সংসদীয় এলাকার নতুন জনপ্রতিনিধি বেছে নেবেন তারা।

















