চলতি ২০২৬ সালের প্রথম নয় মাসে (জানুয়ারি-সেপ্টেম্বর) এনআরবিসি ব্যাংক পিএলসির শেয়ারপ্রতি আয় বা ইপিএস উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে।
বুধবার ব্যাংকটির প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত পরিচালনা পর্ষদের ২৫২তম সভায় তৃতীয় প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুমোদন দেওয়া হয়।
ব্যাংকটির চেয়ারম্যান মো. আলী হোসেন প্রধানিয়ার সভাপতিত্বে সভায় ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা কমিটির চেয়ারম্যান মো. নুরুল হক, অডিট কমিটির চেয়ারম্যান মুহাম্মদ এমদাদ উল্লাহ, স্বতন্ত্র পরিচালক মো. আবুল বশর, মো. আনোয়ার হোসেন ও ব্যারিস্টার মো. শফিকুর রহমান উপস্থিত ছিলেন। পর্ষদ সভায় ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ড. মো. তৌহিদুল আলম খান, উপব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শাহীন হাওলাদার এবং প্রধান আর্থিক কর্মকর্তা (সিএফও) রাশেদুল ইসলাম অংশ নেন।
ইপিএস বাড়ার কারণ ও আর্থিক চিত্র
- সভায় জানানো হয়, মূলত বিনিয়োগ থেকে আয় বৃদ্ধি এবং আয়কর বাবদ প্রভিশন সংরক্ষণের প্রয়োজনীয়তা হ্রাস পাওয়ায় ব্যাংকের ইপিএস বেড়েছে।
- পাশাপাশি সংবিধিবদ্ধ সঞ্চিতি এবং সংরক্ষিত আয় (রিটেইন্ড আর্নিংস) বৃদ্ধি পাওয়ায় ব্যাংকটির নিট সম্পদমূল্যেও ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি পরিলক্ষিত হয়েছে।
- পরিচালনা পর্ষদের ২৫২তম সভায় অনুমোদিত এই আর্থিক প্রতিবেদনের মাধ্যমে ব্যাংকের সামগ্রিক ব্যবসায়িক অবস্থার উন্নতি প্রতিফলিত হয়েছে।
- ব্যাংকিং খাতের এই ইতিবাচক প্রবণতা ব্যাংকের দীর্ঘমেয়াদী আর্থিক ভিত্তি মজবুত করতে ভূমিকা রাখছে বলে পর্ষদ মনে করছে।
প্রতিবেদনটি অনুমোদনের পর ব্যাংকের আর্থিক সক্ষমতা বৃদ্ধির বিষয়ে পরিচালনা পর্ষদ সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। বিনিয়োগকারীদের আস্থা বজায় রাখতে ব্যাংকটি ধারাবাহিক সাফল্যের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে বলে সভায় উল্লেখ করা হয়। এই প্রবৃদ্ধির ধারা আগামী প্রান্তিকগুলোতেও অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে ব্যাংকটির নীতিনির্ধারণী পর্ষদ। উল্লেখ্য, ২০২৬ সালের এই আর্থিক প্রতিবেদন ব্যাংকটির প্রবৃদ্ধি অর্জনের পথে একটি মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, যা শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ইতিবাচক সংকেত বহন করে। ব্যাংকের পক্ষ থেকে বিনিয়োগ থেকে প্রাপ্ত এই আয় বৃদ্ধির বিষয়টি বিশেষ গুরুত্বের সাথে দেখা হচ্ছে, যা ব্যাংকিং কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করবে।

















