ছাত্র সংসদ নির্বাচন নিয়মিত না হলে শিক্ষাঙ্গনে ফের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড, দখলদারিত্ব এবং আসন বাণিজ্যের মতো নেতিবাচক সংস্কৃতি মাথাচাড়া দিয়ে উঠবে বলে সতর্ক করেছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) সাবেক সাধারণ সম্পাদক সালাহউদ্দিন আম্মার। রোববার বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন মার্কেটে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই উদ্বেগ প্রকাশ করেন। রোববার বিকেল সাড়ে ৪টায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন মার্কেটে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব মন্তব্য করেন।
সালাহউদ্দিন আম্মার অভিযোগ করেন, শুধু রাকসু নয়, দেশের অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদ নির্বাচনও বর্তমানে অচল হওয়ার পথে। তিনি উদাহরণ হিসেবে জানান, ছাত্র সংসদের নির্বাচন কমিশন কার্যালয় থেকে আসবাবপত্র সরিয়ে সেখানে সাংবাদিক ও শিক্ষক সমিতির কার্যালয় তৈরির প্রক্রিয়া চলছে। এমন দৈন্যদশা ও ছাত্র সংসদের কার্যকারিতা হারানো কোনোভাবেই কাম্য নয় বলে তিনি উল্লেখ করেন। সেখানে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক ও শিক্ষক সমিতির কার্যালয় করার জন্য নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ের চেয়ার-টেবিল পর্যন্ত সরিয়ে ফেলা হচ্ছে।
তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, আগামী ১০ নভেম্বরের মধ্যে রাকসু নির্বাচনের সুনির্দিষ্ট প্রস্তুতি না নেওয়া হলে শিক্ষার্থীরা কঠোর আন্দোলনে নামতে বাধ্য হবে। আম্মার জানান, তার নিজস্ব কোনো রাজনৈতিক ব্যানার বা সংগঠন নেই। তাই নয় দফা দাবির ধারাবাহিকতায় তিনি পুনরায় ‘রাবি সংস্কার আন্দোলন’ প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে দাবি আদায়ে সক্রিয় হচ্ছেন। তাই আমরা যে নয় দফা দাবি নিয়ে কাজ করেছিলাম, সেই ধারাবাহিকতায় আমি আবারো ‘রাবি সংস্কার আন্দোলন’ প্ল্যাটফর্মে ফিরে যাচ্ছি।
রাজনৈতিক মহলের বিভিন্ন স্তরে রাকসু ব্যর্থ হওয়ার যে আলোচনা চলছে, তা নিয়েও কথা বলেন সালাহউদ্দিন আম্মার। তিনি বলেন, শিক্ষার্থীরা যেন নিজেদের জায়গা থেকে সফল রাকসু গঠনের লক্ষ্যে অটল থাকে এবং যোগ্য নেতৃত্বের মাধ্যমে তা আদায় করে নেয়। তাদের মাধ্যমেই একটি কার্যকর ছাত্র সংসদ গঠিত হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।














