পরিবেশবান্ধব জ্বালানির চাহিদা বাড়লেও সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের প্রচলিত পদ্ধতি এখনো সময়সাপেক্ষ এবং শ্রমনির্ভর। শত শত একর জমিতে প্যানেল বসানো, ইস্পাত কাঠামো তৈরি এবং দক্ষ শ্রমিকের সংকট দীর্ঘ সময় ধরে এই খাতের বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়াভিত্তিক স্টার্টআপ প্ল্যান্টেড স্বয়ংক্রিয় রোবট প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছে, যা সৌর পার্ক নির্মাণের প্রক্রিয়াকে দ্রুত ও কার্যকর করবে।
সম্প্রতি প্রতিষ্ঠানটি ৩ কোটি ১৮ লাখ ডলারের বিনিয়োগ পেয়েছে। এই বিনিয়োগে নেতৃত্ব দিয়েছে পিভা ক্যাপিটাল ও আরএ ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট প্ল্যানেটারি হেলথ। এছাড়া গুগল, ব্রেকথ্রু এনার্জি ভেঞ্চারস, খোসলা ভেঞ্চারস এবং গিগাস্কেল ক্যাপিটালের মতো খ্যাতনামা প্রতিষ্ঠানগুলোও এই উদ্যোগে অর্থায়ন করেছে। ব্রেকথ্রু এনার্জি ভেঞ্চারস বিল গেটসের জলবায়ু প্রযুক্তি অর্থায়ন উদ্যোগের একটি অংশ। মূলত এই তহবিল দিয়ে রোবটের বহর বাড়ানোর পাশাপাশি ‘সেজ’ নামের অত্যাধুনিক নতুন প্রজন্মের মেশিন বাজারে আনার পরিকল্পনা করছে প্ল্যান্টেড।
সৌরবিদ্যুৎ খাতে এখন প্যানেলের দক্ষতার পাশাপাশি খালি জমিকে কত দ্রুত বিদ্যুৎ উৎপাদনক্ষমতায় রূপ দেওয়া যায়, তার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। গুগলের মতো প্রযুক্তি জায়ান্টদের বিনিয়োগ এই খাতের গুরুত্বই তুলে ধরে, কারণ ডিজিটাল অবকাঠামো সম্প্রসারণের ফলে তাদের প্রচুর বিদ্যুতের প্রয়োজন বাড়ছে। বর্তমানে প্ল্যান্টেডের রোবটের চাহিদা তাদের উৎপাদন সক্ষমতার চেয়েও বেশি। প্রতিষ্ঠানটির তথ্যমতে, ২০২৫ সালে তারা ১০ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনে রোবট ব্যবহার করেছিল এবং চলতি বছর সেই সক্ষমতা বাড়িয়ে ১০০ মেগাওয়াটে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
এক বছরের ব্যবধানে প্রায় দশগুণ সম্প্রসারণের এই পরিকল্পনায় প্রযুক্তি ও জ্বালানি খাতে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে। বর্তমানে প্ল্যান্টেডের পাইপলাইনে থাকা প্রকল্পের তালিকা ২০ গিগাওয়াট ছাড়িয়েছে। ভবিষ্যতে সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণে রোবটের ব্যাপক প্রয়োগ জ্বালানি উৎপাদন খরচ কমাতে এবং স্থাপনার গতি ত্বরান্বিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এদিকে প্রতিষ্ঠানটির সম্ভাব্য প্রকল্পের তালিকাও ইতোমধ্যে ২০ গিগাওয়াট ছাড়িয়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: অর্থনীতি ও পরিবেশের জন্য সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোকে বর্তমানে ভবিষ্যতের বিটকয়েন হিসেবে অভিহিত করা হচ্ছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তবে সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের পদ্ধতিতে এখনো বড় ধরনের পরিবর্তন আসেনি। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে ব্যবহৃত প্যানেলের দাম কমার পাশাপাশি দক্ষতাও বেড়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: সৌরবিদ্যুৎ খাতে প্রতিযোগিতার ধরনও বদলে যাচ্ছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: অন্যদিকে গিগাস্কেল ক্যাপিটালের প্রতিষ্ঠাতা মাইক শ্রোপফার, যিনি আগে মেটার নির্বাহী ছিলেন।

















