রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া বাস টার্মিনালে পার্কিং করে রাখা একটি যাত্রীবাহী বাসে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত সোয়া ১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। আগুনে ‘নিউ ক্লাসিক্যাল’ নামের বাসটির (রেজিস্ট্রেশন নম্বর ঢাকা মেট্রো-ব-১৪-৯১২৪) অধিকাংশ অংশ পুড়ে ভস্মীভূত হয়েছে। বাসটি রাজবাড়ী মালিক সমিতির আওতাধীন এবং দৌলতদিয়া-কুষ্টিয়া রুটে নিয়মিত চলাচল করত। অগ্নিকাণ্ডের সময় বাসটি ফাঁকা থাকায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।
স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। সে সময় টার্মিনালের দায়িত্বে থাকা পুলিশ সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে আশপাশে থাকা অন্যান্য বাসগুলোকে নিরাপদ দূরত্বে সরিয়ে নেওয়ার ব্যবস্থা করেন। গোয়ালন্দ ঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সফিকুল ইসলাম জানান, অগ্নিকাণ্ডের কারণ ও জড়িতদের শনাক্ত করতে পুলিশ তদন্ত চালাচ্ছে। এ ঘটনায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে থানায় মামলা হয়েছে এবং তাদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
বাসটির মালিক এসএম সুলতান আহমদ জানান, তার সঙ্গে কারও ব্যক্তিগত কোনো শত্রুতা নেই। ঘটনার সময় চালক উজ্জল, সুপারভাইজার সিরাজ ও হেলপার সোবহান সন্ধ্যার পর টার্মিনালে বাসটি রেখে বাড়িতে চলে গিয়েছিলেন। এটি পরিকল্পিত নাশকতা বলে তিনি মনে করছেন। মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে, নিষিদ্ধ ঘোষিত কোনো রাজনৈতিক দলের কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টির উদ্দেশ্যে বাসটিতে আগুন দেওয়া হয়ে থাকতে পারে।
অন্যদিকে, এই ঘটনায় রাজনৈতিক অভিযোগ তুলেছেন গোয়ালন্দ উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি সুলতান নুর ইসলাম মুন্নু মোল্লা। তিনি দাবি করেন, নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠন যুবলীগের নেতাকর্মীরা এ নাশকতা চালিয়েছে। তার মতে, লকডাউনের অজুহাতে দেশে অস্থিরতা সৃষ্টির পাঁয়তারা চলছে এবং বিএনপি নেতাকর্মীরা এই ধরণের কর্মকাণ্ড প্রতিহত করতে মাঠে সক্রিয় থাকবেন। তবে পুলিশ বলছে, ঘটনাটি তদন্তাধীন এবং প্রকৃত অপরাধীদের খুঁজে বের করাই তাদের মূল লক্ষ্য। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তবে বাসে অগ্নিসংযোগের সঙ্গে কারা জড়িত, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: পরে ফায়ার সার্ভিসে খবর দেওয়া হলে তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।











