জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে দেওয়া বাংলায় ভাষণে রাষ্ট্র সংস্কার ও পুনর্গঠনে সরকারের বিশেষ কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে ইউএনজিএ-র সাধারণ বিতর্কে অংশ নিয়ে তিনি জানান, ফ্যাসিবাদী শাসনের কবল থেকে মুক্ত হওয়া দেশকে পুনর্বাসিত ও শক্তিশালী করতে ‘রিকভারি, রেস্টারেশন ও রিকনস্ট্রাকশন’—সংক্ষেপে ‘থ্রি-আর’ পদ্ধতি অনুসরণ করা হচ্ছে।
দেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তন ও অর্থনৈতিক রূপান্তরের প্রসঙ্গ টেনে তিনি উল্লেখ করেন, প্রায় দেড় যুগের শাসন-শোষণের ইতি টেনে ২০২৪ সালে দেশ স্বৈরাচার মুক্ত হয়েছে। বিগত সময়ে স্বাভাবিক নিয়মে পরিণত হওয়া দুর্নীতি, অর্থ পাচার, গুম, খুন ও অপহরণের অবসান ঘটিয়ে বাংলাদেশ নতুন করে পূর্ণাঙ্গ গণতান্ত্রিক ধারায় ফিরতে শুরু করেছে বলে তিনি বিশ্বমঞ্চে মন্তব্য করেন।
বর্তমান প্রেক্ষাপটকে সম্ভাবনাময় অভিহিত করে প্রধানমন্ত্রী জানান, ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড বা জনমিতিক সুবিধা কাজে লাগাতে কার্যক্ষম জনগোষ্ঠীকে দক্ষ সম্পদে রূপান্তরের কাজ শুরু হয়েছে। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের সামনে বর্তমানে এক অপার সম্ভাবনার দ্বার উন্মুক্ত।’ বড় পরিসরে কাজের সুযোগ তৈরি করা ও দেশকে ‘ম্যানুফ্যাকচারিং হাব’ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে নেওয়া নানা পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে এতে আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগীদের পাশে পাওয়ার আহ্বান জানান তিনি। তারেক রহমান বলেন, ‘ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং বাংলাদেশকে ‘ম্যানুফ্যাকচারিং হাব’ হিসেবে গড়ে তুলতে বিস্তারিত পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
দেশের বিকাশমান খাতের অগ্রগতি ত্বরান্বিত করতে সরকারের আর্থিক সহায়তার চিত্রও তুলে ধরা হয়। তারেক রহমান জানান, তরুণ উদ্যোক্তা, গবেষক ও নতুন উদ্ভাবকদের নানা স্টার্ট আপ প্রকল্প বাস্তবে রূপায়ণে চলতি অর্থবছরে ৫০ মিলিয়ন ডলার বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

















