সংসদ সদস্য ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টির পদত্যাগের ফলে শূন্য হওয়া সংরক্ষিত আসনে ৯০ দিনের মধ্যে উপনির্বাচন আয়োজন করা হবে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। বৃহস্পতিবার রাজধানীর নির্বাচন ভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ এ তথ্য নিশ্চিত করেন। শূন্য আসনটি পূরণের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে সংসদ সচিবালয় থেকে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়কে অনুরোধ করা হয়েছে। আইন অনুযায়ী নির্ধারিত ৯০ দিনের সময়সীমার মধ্যেই উপনির্বাচন সম্পন্ন করার কথা জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার। তিনি আরও জানান, কমিশন শীঘ্রই এ সংক্রান্ত নির্বাচনী তফসিল ঘোষণা করবে। নিয়ম অনুযায়ী, যে দল বা জোটের জন্য এই সংরক্ষিত আসনটি বরাদ্দ, সেই দল বা জোটই নতুন প্রার্থী চূড়ান্ত করবে। কোনো আসনে একাধিক প্রার্থী না থাকলে একক প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ার সুযোগ পাবেন।
কেন পদত্যাগ করলেন মিষ্টি?
মিরপুরের রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে হামলা, লুটপাট ও ভাঙচুরের ঘটনায় ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টির সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ ওঠে। এ বিষয়টি নিয়ে তীব্র সমালোচনা শুরু হলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তাকে সংসদ সদস্য পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর নির্দেশ দেন। বৃহস্পতিবার দুপুরে জাতীয় সংসদ ভবনে স্পিকারের দপ্তরে গিয়ে মিষ্টি পদত্যাগপত্র জমা দিলে বিকালে ২৩ নম্বর আসনটি শূন্য ঘোষণা করে সংসদ সচিবালয়। এদিকে সুপ্রিম কোর্টের নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজল জানান, দলীয় প্রধানের নির্দেশের পরিপ্রেক্ষিতে সংসদ সদস্য পদ থেকে মিষ্টির পদত্যাগের ক্ষেত্রে কোনো আইনি জটিলতা নেই। তিনি বলেন, দল মনোনয়ন না দিলে তো তিনি এমপি হতে পারতেন না। দলের প্রধান হিসেবে দেশের প্রয়োজনে কাউকে পদত্যাগ করতে বললে এবং সংশ্লিষ্ট এমপি তা মানলে তাতে কোনো দোষের কিছু নেই বলে মন্তব্য করেন অ্যাটর্নি জেনারেল।

















