ইরান এখন সমুদ্রপথের পরিবর্তে স্থলসীমান্ত দিয়ে বাণিজ্যের ওপর জোর দিচ্ছে। দেশটির দক্ষিণাঞ্চলের সমুদ্রবন্দরগুলোতে পণ্য খালাস ও পরিবহনের সুযোগ সীমিত হয়ে পড়ায় আমদানিকারকরা স্থলপথকেই বিকল্প হিসেবে বেছে নিয়েছেন। এতে করে বাণিজ্যের চাকা সচল থাকলেও সীমান্ত এলাকাগুলোতে চাপ ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।
এই পরিবর্তনের সবচেয়ে বড় প্রভাব পড়েছে তুরস্কের সঙ্গে ইরানের প্রধান সীমান্ত পয়েন্টগুলোতে। তুরস্কগামী পণ্যবাহী ট্রাকগুলোর দীর্ঘ সারি এখন কয়েক কিলোমিটার পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়েছে। সীমান্তে আটকে থাকা এই ট্রাকগুলোর চালকদের পণ্য পরিবহনের জন্য দিনের পর দিন, এমনকি কয়েক সপ্তাহ পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হচ্ছে।
দক্ষিণাঞ্চলের বন্দরগুলোতে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপের ফলে আমদানিনির্ভর ব্যবসা-বাণিজ্য অনেকটা স্থবির হয়ে পড়েছে। এই প্রতিকূল পরিস্থিতি মোকাবিলা করতেই ইরান স্থলসীমান্ত নির্ভরতা বাড়ানোর এই কৌশল গ্রহণ করেছে।
















