দেশের কূটনৈতিক সাফল্য যখন বাড়ছে এবং বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে মাথা উঁচু করে দাঁড়াচ্ছে, ঠিক তখনই একটি চক্র দেশ নিয়ে গভীর ষড়যন্ত্রে নেমেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সংসদ সদস্য আমান উল্লাহ আমান। সোমবার দুপুরে সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলার নবগ্রাম এলাকায় ৯০-এর গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ নাজির উদ্দিন জেহাদের কবর জিয়ারত শেষে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, গুপ্ত ও ফ্যাসিবাদী শক্তি দেশে নতুন করে নৈরাজ্য সৃষ্টির পাঁয়তারা চালাচ্ছে। তবে জনগণ রক্ত দিয়ে যে ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠা করেছে, তা কোনোভাবেই বিসর্জন দেওয়া হবে না।
আমান উল্লাহ আমান আরও বলেন, শহীদ জেহাদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত গণতন্ত্র বারবার বাধাগ্রস্ত হয়েছে। গত ১৭ বছর ধরে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের যে লড়াই চলেছিল, লন্ডন থেকে তারেক রহমান সেই আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছেন। এই দীর্ঘ পথপরিক্রমায় এম ইলিয়াস আলী ও চৌধুরী আলমসহ অসংখ্য নেতা গুমের শিকার হয়েছেন এবং হাজারো ছাত্র-জনতা জীবন দিয়েছেন। সর্বশেষ ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণ-অভ্যুত্থানে আবু সাঈদসহ অনেকের আত্মত্যাগে দেশ স্বৈরাচারমুক্ত হয়েছে এবং নির্বাচনে জনগণ তারেক রহমানের নেতৃত্বে আস্থা রেখেছে। সেই গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের পরও গত ১৭ বছরে তা বারবার বাধাগ্রস্ত হয়েছে এবং পরবর্তীতে আবারও আন্দোলন করতে হয়েছে।
বিএনপির এই নেতা দৃঢ়তার সঙ্গে বলেন, দেশে গণতন্ত্র ও উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে তারেক রহমান নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন। জনগণের অর্জিত এই গণতন্ত্র কোনো অপশক্তিকেই নস্যাৎ করতে দেওয়া হবে না। বাংলাদেশের মানুষ কোনো ধরনের ষড়যন্ত্রই মেনে নেবে না বলেও হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন তিনি।
কবর জিয়ারত ও শ্রদ্ধা নিবেদন কর্মসূচিতে অন্যদের মধ্যে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব নাজিম উদ্দীন আলম, সংসদ সদস্য মুস্তাফিজুর রহমান বাবুল, হাবিবুর রহমান হাবিব, খন্দকার লুৎফর রহমান এবং সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান বাচ্চুসহ স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় সবাই শহীদ নাজির উদ্দিন জেহাদের কবরে ফুল দিয়ে গভীর শ্রদ্ধা জানান।















