কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালির কাছে এই সপ্তাহের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্রের চুক্তিবদ্ধ একটি বাণিজ্যিক জাহাজে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে হামলা চালিয়েছে ইরান। মার্কিন সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজের বরাতে জানা যায়, হামলায় অন্তত চারটি ইরানি ড্রোন ও একটি ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহৃত হয়েছে। জলসীমায় অবস্থানরত জাহাজটিতে একটি ক্ষেপণাস্ত্র সরাসরি আঘাত হানলে সেটিতে অগ্নিকাণ্ড ও ধোঁয়ার সৃষ্টি হয়।
ঘটনার সময় জাহাজটিতে দায়িত্বরত কয়েকজন মার্কিন কর্মী ও নাবিক আহত হয়েছেন। ধোঁয়ার কারণে শ্বাসকষ্টসহ শারীরিক সমস্যায় ভোগা আহতদের উদ্ধার করে বর্তমানে একটি অজ্ঞাত উপসাগরীয় দেশের হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। তবে এই হামলা নিয়ে এখন পর্যন্ত ওয়াশিংটন কিংবা তেহরান কোনো পক্ষই আনুষ্ঠানিক কোনো বিবৃতি প্রকাশ করেনি।
লোহিত সাগরসহ সংলগ্ন অঞ্চলে গত ছয় মাস ধরে চলে আসা বৃহত্তর ইরান যুদ্ধের একটি অংশ হিসেবে এই সামুদ্রিক সংঘাতকে দেখা হচ্ছে। বিশ্বের মোট তেল সরবরাহের এক-পঞ্চমাংশের বেশি এই প্রণালি দিয়ে পরিবহন করা হয়। পানিপথটির পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখা এবং পাল্টা আক্রমণের কৌশল হিসেবে মাইন স্থাপনকে কেন্দ্র করে অঞ্চলটি এখন দুই পক্ষের তীব্র উত্তেজনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।
ঘটনাটি সম্পর্কে ইউএস সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) কাছে যোগাযোগ করা হলেও তারা তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি। এ বিষয়ে ইউএস নেভাল ফোর্সেস সেন্ট্রাল কমান্ডের পক্ষ থেকে বিস্তারিত জানতে সেন্টকমের সঙ্গে যোগাযোগের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বিষয়টি সামনে আসার পর এ নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ বাড়ছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ওই হামলার ঘটনায় জাহাজে থাকা কয়েকজন আরোহী ও নাবিক আহত হয়েছেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বিষয়টি সম্পর্কে অবগত দুটি সূত্র মার্কিন সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজকে এ তথ্য জানিয়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: কৌশলগত ও গুরুত্বপূর্ণ এই প্রণালিটির পার্শ্ববর্তী জলসীমায় অবস্থানকালে একটি ক্ষেপণাস্ত্র সরাসরি জাহাজটিতে গিয়ে আঘাত হানে।

















