বিশ্বকাপ পরবর্তী প্রথম ম্যাচে জয়হীন থাকল ব্রাজিল। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ১-১ গোলে ড্র করায় ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে বড় ধাক্কা খেয়েছেন পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। র্যাঙ্কিংয়ের পঞ্চম স্থান থেকে এক ধাপ নিচে নেমে বর্তমানে ষষ্ঠ স্থানে অবস্থান করছেন কার্লো আনচেলত্তির শিষ্যরা। তাদের এই জায়গা দখল করেছে মরক্কো। তবে দ্রুত ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ রয়েছে দলটির সামনে। আগামী ২৯ সেপ্টেম্বর অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষেই তাদের দ্বিতীয় ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ১-১ গোলে ড্র করে হার এড়ালেও এর প্রভাব পড়েছে ফিফা র্যাংকিংয়ে। ফলে হারতে হারতে ১-১ ড্র নিয়ে মাঠ ছাড়ে তারা। র্যাংকিংয়ে আবারও ওপরে ওঠার সুযোগ অবশ্য দ্রুতই পাচ্ছে কার্লো আনচেলত্তির দল।
টাউনসভিলের কুইন্সল্যান্ড কান্ট্রি ব্যাংক স্টেডিয়ামে দুই দলই আক্রমণাত্মক ফুটবল উপহার দেয়। বলের দখল ও আক্রমণে সমানে সমান লড়াই চললেও প্রথমার্ধে কোনো পক্ষই গোলের দেখা পায়নি। প্রথমার্ধের ইনজুরি সময়ে এস্তেভাও বল জালে জড়ালেও ভিএআর প্রযুক্তির সাহায্যে তা বাতিল করা হয়। ফলে গোলশূন্য বিরতিতে যায় দুই দল।
দ্বিতীয়ার্ধে ৬৫ শতাংশ বল দখলে রেখে আধিপত্য বিস্তার করে ব্রাজিল। একের পর এক আক্রমণ করেও অস্ট্রেলিয়ার জমাট রক্ষণভাগ ও গোলরক্ষক প্যাট্রিক বিচকে পরাস্ত করতে পারছিলেন না সেলেসাওরা। ম্যাচের ৬৮ মিনিটে উল্টো চিত্র দেখা যায়; নেস্তোরি ইরানকুন্দার দুর্দান্ত গোলে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় অস্ট্রেলিয়া। এতে বেশ চাপে পড়ে যায় ব্রাজিলিয়ানরা। পরিবর্তিত খেলোয়াড়দের নিয়ে আক্রমণের ধারও বাড়ায় সেলেসাওরা।
ম্যাচে সমতা ফেরাতে কোচ কার্লো আনচেলত্তি কৌশল বদলান। ৬২ মিনিটে ব্রুনো গিমারেসের পরিবর্তে ডগলাস লুইজকে নামান তিনি। এরপর ৬৫ মিনিটে ভিনিসিয়ুস জুনিয়র ও এন্দ্রিককে তুলে স্যামুয়েল লিনো ও পেদ্রোকে মাঠে পাঠানো হয়। শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত সময়ের পর যোগ করা সময়ে কাঙ্ক্ষিত গোলটি আসে রায়ানের পা থেকে। ১-১ গোলের সমতা নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয় ব্রাজিলকে, তবে র্যাঙ্কিংয়ে অবনমনের হতাশাই এখন প্রধান বাস্তবতা।

















