কিশোরগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আমিনুল ইসলাম রতনের বিরুদ্ধে একটি ভিত্তিহীন মানববন্ধন ও মানহানিকর প্রচারণার প্রতিবাদে আইনজীবীরা মিছিল ও সমাবেশ করেছেন। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দুপুরে কিশোরগঞ্জ চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত প্রাঙ্গণ থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি বের হয়ে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে গিয়ে শেষ হয়। সেখানে আয়োজিত সমাবেশে বক্তারা দাবি করেন, ইটন উপজেলার বড়িবাড়ী ইউনিয়নের পাঁচকানিয়া (ভূগলী) জলমহালকে কেন্দ্র করে ৫০ লাখ টাকা চাঁদা দাবির যে অভিযোগ তোলা হয়েছে, তা পুরোপুরি বানোয়াট ও ষড়যন্ত্রমূলক।
গত ২৮ সেপ্টেম্বর জলমহালের ইজারাদার, মৎস্যজীবী ও স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীদের নাম ব্যবহার করে একটি ব্যানারে রতনের বিরুদ্ধে মানববন্ধন করা হয়। সমাবেশে বক্তারা অভিযোগ করে বলেন, নাম-পরিচয়হীন কিছু ব্যক্তিদের ব্যবহার করে এই মানহানিকর কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। তারা উল্লেখ করেন যে, অ্যাডভোকেট আমিনুল ইসলাম রতন কিশোরগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির টানা ছয়বারের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন এবং তার নিজ বাড়িও ইটনা উপজেলায়। একটি সুপরিকল্পিত অপপ্রচারের মাধ্যমে তাকে হেয় প্রতিপন্ন করার চেষ্টা চলছে বলে দাবি করেন তারা।
সমাবেশ থেকে এই ঘটনার পেছনে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের বড়িবাড়ী ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আব্দুস ছাত্তার, সাংগঠনিক সম্পাদক ফরহাদ এবং যুবলীগের সহসভাপতি মো. হুমায়ুন কবীরের সম্পৃক্ততার জোরালো অভিযোগ তোলা হয়েছে। আইনজীবীরা দাবি জানিয়েছেন যে, এই ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অবিলম্বে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং তাদের দ্রুত গ্রেপ্তার করতে হবে।
প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন অ্যাডভোকেট আব্দুল্লাহ আল বোখারী, মীর সাখাওয়াত হোসেন, শওকত কবির খোকন, জেসমিন সুলতানা কবিতা, নাদিরা সুলতানা সোমা, জামাল উদ্দিন খান মার্শাল এবং মো. আহসানুজ্জামান নাসিরসহ সমিতির বিশিষ্ট আইনজীবীরা। তাদের ভাষ্যমতে, এই ধরনের মিথ্যা অপপ্রচারমূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে বিচার ব্যবস্থার প্রতিনিধিদের ভাবমূর্তি নষ্ট করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে, যা কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না।

















