মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও জানিয়েছেন, ইরানের সম্ভাব্য হুমকির অজুহাতে ইউরোপ বা ন্যাটোর নিয়ন্ত্রণাধীন এলাকায় যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক তৎপরতা কোনোভাবেই সংকুচিত করা হবে না। বৃহস্পতিবার গ্রিস থেকে পর্তুগালের উদ্দেশে যাত্রা করার সময় সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। রুবিও জোর দিয়ে জানান, ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের যেসব কৌশলগত পদক্ষেপ গ্রহণ করা জরুরি, হুমকি মোকাবিলায় তার কোনোটিই স্থগিত বা সীমিত করা হয়নি। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, ইরানের বিরুদ্ধে এমন কোনো পদক্ষেপ নেওয়া বাকি নেই যা হুমকির কারণে বাস্তবায়ন করা সম্ভব হচ্ছে না।
চলতি বছরের সেপ্টেম্বরের শেষের দিকে যুক্তরাজ্যের গ্লুচেস্টারশায়ারের আরএএফ ফেয়ারফোর্ড ঘাঁটিতে নিরাপত্তা ঝুঁকি দেখা দিলে মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন তাদের সব বোমারু বিমান যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ ঘাঁটিতে সরিয়ে নিতে বাধ্য হয়। সে সময় ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহ্যাম জানিয়েছিলেন, এই ঘটনার পেছনে ইরানের সংশ্লিষ্টতার ‘জোরালো ইঙ্গিত’ রয়েছে। তবে তেহরান বরাবরের মতোই এই অভিযোগ সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে।
পরবর্তীতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প স্বীকার করেন যে, সুনির্দিষ্ট কিছু হুমকির কারণেই বোমারু বিমানগুলো ফেয়ারফোর্ড ঘাঁটি থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল। এ বিষয়ে এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ‘হ্যাঁ, বিষয়টি সত্য। কোনো কারণ ছাড়া তো আর বিমানগুলো সেখান থেকে সরিয়ে আনা হয়নি, নিশ্চয়ই কিছু হুমকি ছিল।’ তিনি বলেন, ‘হ্যাঁ, আমরা তা বলতে পারি। তারা তো আর কোনো কারণ ছাড়াই সেখান থেকে উড়ে যায়নি।

















