ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার চলমান পরোক্ষ আলোচনায় ইতিবাচক অগ্রগতির পর কাতারের রাজধানী দোহায় পৌঁছেছে একটি উচ্চপদস্থ ইরানি প্রতিনিধিদল। কাতারি সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচির একজন উপপ্রতিনিধিসহ প্রতিনিধিদলটি দোহায় অবস্থান করছে, যার মূল লক্ষ্য কাতারি মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে মার্কিন পক্ষের সাথে যোগাযোগ আরও নিবিড় করা। কাতারের একটি সংবাদপত্রের বরাত দিয়ে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
তেহরানে কাতারি কর্মকর্তাদের সাথে ধারাবাহিক আলোচনার পর এই অগ্রগতি হয়েছে। এরপরই ইরানি আলোচক দলটি দোহায় ফিরে আসে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো নিশ্চিত করেছে যে, ওয়াশিংটনের সাথে কোনো সরাসরি সংলাপে বসছে না তেহরান; বরং আগে থেকেই চলে আসা মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে পরোক্ষ কূটনৈতিক প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে।
কাতার ও পাকিস্তানের যৌথ মধ্যস্থতা প্রক্রিয়ার বিষয়টি জানেন এমন একাধিক সূত্র জানিয়েছে, খুব দ্রুতই দোহায় একটি মার্কিন প্রতিনিধিদল যোগ দেবে বলে আশা করা হচ্ছে। এমনকি উভয় পক্ষের মধ্যে সরাসরি আলোচনার পরিবেশ তৈরির সম্ভাবনাও নাকচ করা যাচ্ছে না।
এই কূটনৈতিক প্রচেষ্টার মূল লক্ষ্য হলো একটি সম্ভাব্য সমঝোতায় পৌঁছানো। এর আওতায় ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি, হরমুজ প্রণালিতে নৌচলাচলের নিরাপত্তা এবং তেহরানের জন্য আর্থিক প্রণোদনার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোতে ঐকমত্য তৈরির চেষ্টা করা হচ্ছে। সব ঠিক থাকলে এটি দুই দেশের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ আলোচনা ফের শুরুর পথ প্রশস্ত করবে। এছাড়া, এই চুক্তির প্রতিশ্রুতি রক্ষায় চীন ও রাশিয়া গ্যারান্টার বা নিশ্চয়তাকারী হিসেবে ভূমিকা পালন করবে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

















