প্রায় ২৩ বছর পর লক্ষ্মীপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর শীর্ষ নেতৃত্বে পরিবর্তন আনা হয়েছে। দলটির নতুন জেলা আমির হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন এ আর হাফিজ উল্লাহ। বুধবার রাতে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নতুন এই কমিটির তথ্য জানানো হয়। তিনি আগামী দুই বছর এই গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক দায়িত্ব পালন করবেন। এর আগে তিনি লক্ষ্মীপুর জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
এ আর হাফিজ উল্লাহ গত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে লক্ষ্মীপুর-৪ (রামগতি-কমলনগর) আসনের জামায়াতের প্রার্থী ছিলেন। সে সময় নির্বাচনী প্রচারণার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তিনি ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েন। ওই বছরের ৮ ফেব্রুয়ারি এক গণসংযোগকালে তিনি ভোটারদের বলেছিলেন, ‘আপনারা যদি ইসলামের পক্ষে, পবিত্র কোরআনের পক্ষে, দাঁড়িপাল্লায় ভোট দেন; তবে সওয়াবের ভাগী হবেন। আপনাদের জন্য জান্নাত অবধারিত। আর যারা পবিত্র কোরআনের বিরুদ্ধে ভোট দেবেন, তারা গুনাহগার হবেন।’ চলতি বছর ৮ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনী এলাকায় গণসংযোগের সময় ভোটারদের উদ্দেশে বক্তব্য দিয়ে সমালোচিত হয়েছিলেন এ আর হাফিজ উল্লাহ।
নির্বাচনী প্রচারণায় ধর্মীয় অনুভূতি ব্যবহারের অভিযোগ ওঠার পর সে সময় এ আর হাফিজ উল্লাহর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেছিলেন, এমন কোনো বক্তব্য তিনি দিয়েছেন কি না, তা তার মনে নেই। তবে ভুলবশত মুখ ফসকে এমন কিছু বলে থাকতে পারেন অথবা তার বক্তব্যটি খণ্ডিতভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে বলে তিনি দাবি করেছিলেন। আবার অনেক সময় আমার বক্তব্য খণ্ডিতভাবেও উপস্থাপন করা হয়।’।
নতুন এই দায়িত্ব পাওয়ার বিষয়ে বৃহস্পতিবার এ আর হাফিজ উল্লাহ জানান, দলের হাইকমান্ড তাকে জেলা আমিরের দায়িত্ব দিয়েছেন। তিনি বলেন, দলের সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করা এবং দলকে তৃণমূল পর্যায়ে শক্তিশালী করে গড়ে তোলাই তার মূল লক্ষ্য। নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে এই দায়িত্ব পালনে সচেষ্ট থাকবেন বলেও তিনি উল্লেখ করেন।














