আগামী দুই বছরের মধ্যে দেশের সব পাবলিক ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়কে ডিজিটাল নেটওয়ার্কের আওতায় আনার মহাপরিকল্পনা হাতে নিয়েছে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)। এর পাশাপাশি আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে সব বিশ্ববিদ্যালয়ে ইন্টার্নশিপ বাধ্যতামূলক করা এবং ভর্তি থেকে সনদ প্রাপ্তি পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের সকল সেবা প্রযুক্তিনির্ভর করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
কর্মশালায় ডিজিটাল রূপান্তরের রূপরেখা
রোববার ঢাকার আগারগাঁওয়ে জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি কমপ্লেক্সে ‘উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থাপনার ডিজিটাল রূপান্তর’ শীর্ষক এক পরামর্শক কর্মশালায় এসব পরিকল্পনার কথা জানান ইউজিসির চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ। অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর তথ্যপ্রযুক্তি-সংশ্লিষ্ট শিক্ষক, গবেষকসহ ইউজিসি ও হিট প্রকল্পের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এতে ইউজিসির সদস্য অধ্যাপক ড. মাছুমা হাবিব, অধ্যাপক ড. আসলাম হোসেন এবং হিট প্রকল্পের পরিচালক অধ্যাপক ড. আসাদুজ্জামান বক্তব্য দেন।
পরিকল্পনার মূল লক্ষ্যসমূহ
- আগামী দুই বছরের মধ্যে সব বিশ্ববিদ্যালয়কে যথাযথ নেটওয়ার্ক, উচ্চগতির ওয়াই-ফাই ও প্রয়োজনীয় সহায়তাব্যবস্থার আওতায় আনা হবে।
- ডিজিটাল শ্রেণিকক্ষ চালুর পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে পর্যায়ক্রমে ডিজিটাল ক্যাম্পাসে রূপান্তর করা হবে।
- শিক্ষার্থীরা যেন দূরে বসেই ভর্তির আবেদন, ফি জমা ও হলের আসনসংক্রান্ত তথ্য জানতে পারেন সেই ব্যবস্থা করা হবে।
- পড়াশোনা শেষে সনদ সংগ্রহের জন্য শিক্ষার্থীদের যেন বারবার বিশ্ববিদ্যালয়ে ছুটতে না হয়, সে ধরনের অনলাইন প্ল্যাটফর্ম গড়ে তোলা হবে।
ইউজিসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ জানান, এই ডিজিটাল রূপান্তরের মাধ্যমে উচ্চশিক্ষার প্রশাসনিক ও একাডেমিক সেবাকে আরও সহজ ও গতিশীল করা হবে। এর ফলে শিক্ষার্থীরা ভর্তি থেকে শুরু করে সনদ সংগ্রহ পর্যন্ত যাবতীয় কাজ ঘরে বসেই সম্পন্ন করতে পারবেন, যা উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও আধুনিকতা নিশ্চিত করবে।

















